প্রশ্ন-১।
প্রশ্ন-২। রোধের একক কি?
উত্তরঃ ওহম।
প্রশ্ন-৩। তড়িৎ প্রবাহের একক কী?
উত্তরঃ তড়িৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার।
প্রশ্ন-৪। প্রেসার কুকারে রান্না করলে শতকরা কত ভাগ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়?
উত্তরঃ ২৫।
প্রশ্ন-৫।
১০০ ভোল্টের একটি বাল্ব ৫ অ্যাম্পিয়ার তড়িৎ প্রবাহের বর্তনীতে সংযুক্ত করা হলো। বর্তনীর রোধ কত?
উত্তরঃ ২০ ও’ম।
কোনটির মধ্যে অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহের সৃষ্টি হয়?
উত্তরঃ ডিসি জেনারেটর ও ব্যাটারি।
৫ ওহম রোধের মধ্য দিয়ে ৩ অ্যাম্পিয়ার তড়িৎ প্রবাহিত হলে বিভব পার্থক্য কত?
উত্তরঃ ১৫ ভোল্ট।
১০ ভোল্ট বিভব পার্থক্যবিশিষ্ট কোনো পরিবাহকের মধ্য দিয়ে ৫ অ্যাম্পিয়ার বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে, ঐ পরিবাহীর রোধ কত হবে?
উত্তরঃ ২ ওহম।
বাংলাদেশে পর্যাবৃত্ত প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে কত বার দিক পরিবর্তন করে?
উত্তরঃ ৫০ বার।
১০ ভোল্ট বিভব পার্থক্যে রাখা ৫ ওহম রোধের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহের মান কত?
উত্তরঃ ২ অ্যাম্পিয়ার।
প্রশ্ন-৬। বিদ্যুৎ প্রবাহ কাকে বলে?
উত্তরঃ কোনো পরিবাহকের যেকোনো প্রস্থচ্ছেদের মধ্য দিয়ে একক সময়ে যে পরিমাণ আধান প্রবাহিত হয় তাকে বিদ্যুৎ প্রবাহ বলে।
প্রশ্ন-৭। রোধ কাকে বলে?
উত্তরঃ পরিবাহীর যে ধর্মের জন্য এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ চলাচল বাধাগ্রস্ত হয় তাকে ঐ পরিবাহীর রোধ বলে।
প্রশ্ন-৮। তড়িৎ প্রবাহ কাকে বলে?
উত্তরঃ কোনো পরিবাহকের যে কোনো প্রস্থচ্ছেদের মধ্য দিয়ে একক সময়ে যে পরিমাণ আধান প্রবাহিত হয় তাকে তড়িৎ প্রবাহ বলে।
প্রশ্ন-৯। পর্যাবৃত্ত প্রবাহ কাকে বলে?
উত্তরঃ যখন নির্দিষ্ট সময় পরপর তড়িৎ প্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয় তখন সেই তড়িৎ প্রবাহকে পর্যাবৃত্ত প্রবাহ বলে।
প্রশ্ন-১০। ভোল্টমিটার কাকে বলে?
উত্তরঃ যে যন্ত্রের সাহায্যে বর্তনীর যেকোনো দুই বিন্দুর মধ্যকার বিভব পার্থক্য সরাসরি ভোল্ট এককে পরিমাপ করা যায় তাকে ভোল্টমিটার বলে।
প্রশ্ন-১১। ওহমের সূত্রটি লিখ।
উত্তরঃ তাপমাত্রা স্থির থাকলে কোনো নির্দিষ্ট পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহের মান পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের মানের সমানুপাতিক।
প্রশ্ন-১২। এসি প্রবাহ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর তড়িৎ প্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয় সেই তড়িৎ প্রবাহকে এসি প্রবাহ বলে।
প্রশ্ন-১৩। তড়িৎ বর্তনী কাকে বলে?
উত্তরঃ তড়িৎ প্রবাহ চলার সম্পূর্ণ পথকে তড়িৎ বর্তনী বলে।
প্রশ্ন-১৪। ফিউজ কি?
উত্তরঃ ফিউজ হলো সংকর ধাতুর তৈরি ছোট সরু তার, যাতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহিত হবার সঙ্গে সঙ্গে বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে।
আরো পড়ুনঃ-
১। প্রথম অধ্যায় : প্রাণিজগতের শ্রেণিবিন্যাস, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
২। দ্বিতীয় অধ্যায় : জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
৩। তৃতীয় অধ্যায় : ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
৪। চতুর্থ অধ্যায় : উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
৫। পঞ্চম অধ্যায় : সমন্বয় ও নিঃসরণ, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
৬। ষষ্ঠ অধ্যায় : পরমাণুর গঠন, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
৭। সপ্তম অধ্যায় : পৃথিবী ও মহাকর্ষ, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
৮। অষ্টম অধ্যায় : রাসায়নিক বিক্রিয়া, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
৯। দশম অধ্যায় : অম্ল, ক্ষারক ও লবণ, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
১০। একাদশ অধ্যায় : আলো, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
১১। দ্বাদশ অধ্যায় : মহাকাশ ও উপগ্রহ, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
১২। ত্রয়োদশ অধ্যায় : খাদ্য ও পুষ্টি, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
১৩। চতুর্দশ অধ্যায় : পরিবেশ এবং বাস্তুতন্ত্র, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান