যে সংখ্যাগত পরিমাপের সাহায্যে কোনো গণসংখ্যা নিবেশন বা বিচ্ছিন্ন উপাত্তের মানসমূহ এদের গড়ের চারদিকে কিভাবে বিস্তৃত তা প্রকাশিত হয় অথবা মান সমূহের সাথে গড়ের যে পার্থক্য তা প্রকাশ করা হয় তাকে বিস্তার পরিমাপ বলে।
বিস্তারের পরিমাপগুলোকে সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা–
১. অনপেক্ষ বা পরম বিস্তার পরিমাপ
২. আপেক্ষিক বিস্তার পরিমাপ
১। পরম বা অনপেক্ষ বিস্তার পরিমাপ : কোনো নিবেশনের কেন্দ্রীয় মান হতে অন্যান্য মানসমূহের ব্যবধানের গড় যা নিবেশনের মান সমূহের মূল এককে প্রকাশিত হয়, তাই পরম বা অনপেক্ষ বিস্তার পরিমাপ (Absolute measures of dispersion)। পরম বা অনপেক্ষ বিস্তার পরিমাপ চার প্রকার। যথা : ১. পরিসর (Range); ২. গড় ব্যবধান (Mean Deviation); ৩. পরিমিত ব্যবধান (Standard Deviation) ও ৪. চতুর্থক ব্যবধান (Quartile Deviation)।
২। আপেক্ষিক বিস্তার পরিমাপ : কোনো নিবেশনের পরম বিস্তার পরিমাপ এবং ঐ পরম বিস্তার পরিমাপের সাথে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মানের বা কেন্দ্রীয় মানসমূহের যোগফলের অনুপাতকে আপেক্ষিক বিস্তার পরিমাপ বলে। আপেক্ষিক বিস্তার পরিমাপ একটি এককবিহীন সংখ্যা। আপেক্ষিক বিস্তার পরিমাপ চার প্রকার। যথা:
(i) পরিসরাঙ্ক
(ii) গড় ব্যবধানাঙ্ক
(iii) বিভেদাঙ্ক
(iv) চতুর্থক ব্যবধানাঙ্ক।
অনুশীলনী
১। বিস্তারের আদর্শ পরিমাপ কোনটি?
উত্তর : বিস্তারের আদর্শ পরিমাপ হলো পরিমিত ব্যবধান।
Tags :
- আদর্শ বিস্তার পরিমাপ কোনটি এবং কেন
- পরিমিত ব্যবধানের সুবিধা অসুবিধা
- গড় ব্যবধান ও পরিমিত ব্যবধানের মধ্যে পার্থক্য
- বিস্তার পরিমাপ কত প্রকার
- পরিমিত ব্যবধান english
- পরিমিত ব্যবধান নির্ণয়ের সূত্র
- বিস্তার পরিমাপের প্রয়োজনীয়তা
- গড় ব্যবধান নির্ণয়
- চতুর্থক কাকে বলে
- বিষমতার পরিমাপ কাকে বলে
- পরিমিত ব্যবধান কাকে বলে
- পরিমিত ব্যবধানের সুবিধা
আরো পড়ুনঃ-
২। অসম্ভব ঘটনা কাকে বলে? অসম্ভব ঘটনার উদাহরণ।
৩। দৈব পরীক্ষা কাকে বলে? দৈব পরীক্ষার উদাহরণ।