ক্ষার কি? ক্ষারের বৈশিষ্ট্য কী কী?

ক্ষার কি? (What is Alkali in Bengali/Bangla?)

ক্ষার হলো সেই সমস্ত ক্ষারক যারা পানিতে দ্রবীভূত হয়। কোনাে যৌগের ক্ষার হবার জন্য 2টি শর্ত রয়েছে: (i) যৌগটিতে হাইড্রোক্সাইড (OH-) যৌগমুলক থাকতে হবে এবং (ii) ঐ যৌগ পানিতে দ্রবীভূত হতে হবে।
NaOH ক্ষার, কারণ সােডিয়াম হাইড্রোক্সাইড যৌগে OH- মূলক আছে এবং এটি পানিতে দ্রবণীয়। Fe(HO)2 কে ক্ষার বলা যায় না। কারণ এটিতে OH- গ্রুপ আছে। কিন্তু এটি পানিতে দ্রবণীয় নয়, এটি শুধু ক্ষারক। CaO ক্ষারক, ক্ষার নয় কারণ CaO এ OH- মূলক নাই। অর্থাৎ তােমরা বুঝতে পারলে হাইড্রোক্সাইড মূলকধারী পানিতে দ্রবণীয় ক্ষারকগুলােই হলাে ক্ষার। তাই বলা যায় সব ক্ষারকই ক্ষার নয় কিন্তু সব ক্ষারই ক্ষারক।

বাসাবাড়িতে ক্ষার জাতীয় অনেক পদার্থ ব্যবহার করা হয়। যেমন : টয়লেট পরিষ্কার করার জন্য যে টয়লেট ক্লিনার ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে সােডিয়াম হাইড্রোক্সাইড ক্ষার থাকে। কাঁচ পরিস্কার করার জন্য যে গ্লাস ক্লিনার ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে অ্যামােনিয়াম হাইড্রোক্সাইড ক্ষার (NH4OH) থাকে।


ক্ষারের বৈশিষ্ট্য (Characteristics of Alkali)
ক্ষারের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো–
  1. লাল লিটমাস পেপারকে নীল করে।
  2. এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে।
  3. এরা পানিতে দ্রবণীয়।
  4. সাধারণত পানিতে দ্রবীভূত হয়ে হাইড্রোক্সিল আয়ন উৎপন্ন করে।
  5. স্পর্শে সকল ক্ষার পিচ্ছিল অনুভূত হয়।

দ্বি অম্লীয় ক্ষার কাকে বলে?
উত্তর : যে সব ক্ষারে দুইটি হাইড্রোক্সিল মূলক আছে তাদেরকে দ্বি অম্লীয় ক্ষার বলা হয়। যেমন- ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড, Ca(OH)2।