‘অনুধাবন’ বলতে কোন বিষয়ের অর্থ বোঝার সক্ষমতাকে বোঝায়। এটি হতে পারে কোন তথ্য, নীতিমালা, সূত্র, নিয়ম, পদ্ধতি, প্রক্রিয়া ইত্যাদি বুঝতে পারার সক্ষমতা।
- অনুধাবন স্তর হলো চিন্তন-দক্ষতার দ্বিতীয় স্তর। এই প্রশ্নটি ‘খ’ তে দেয়া থাকে। এধরণের প্রশ্নে সরাসরি পাঠ্যবইয়ের অনুরূপ বিবরণ জানতে চাওয়া হয় না। তাই শিক্ষার্থীকে বিষয়বস্তু সম্পর্কে নিজের ভাষায় ব্যাখ্যা বা বর্ণনা করতে হবে।
- অনুধাবনমূলক প্রশ্নের নম্বর থাকবে ২। এর মধ্যে জ্ঞানের জন্য ১ ও অনুধাবনের জন্য ১।
- অনুধাবনমূলক প্রশ্নের উত্তর দুই প্যারায় লেখা ভালো। যার প্রথম প্যারায় জ্ঞান অংশের উত্তর ও দ্বিতীয় প্যারায় অনুধাবন অংশের উত্তর।
- অনুধাবনমূলক প্রশ্নের উত্তর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুসারে সর্বোচ্চ পাঁচটি বাক্যে উত্তর লিখতে হবে। তবে এর সামান্য কম-বেশি হলে কোন অসুবিধা নেই।
- এক্ষেত্রে কোনভাবেই প্রশ্নের উত্তরে অপ্রাসঙ্গিক কথা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য বা বাহুল্যদোষ করা যাবে না।
আরো পড়ুনঃ-
১। পরীক্ষা (Exam), পশ্ন (Question) ও প্রশ্নপত্র কাকে বলে? উত্তম প্রশ্নপত্রের বৈশিষ্ট্য কি?
২। মহাসাগর কাকে বলে? মহাসাগর কয়টি ও কি কি? Ocean in Bengali
৩। মহাদেশ কাকে বলে? মহাদেশ কয়টি ও কি কি? Continent in Bengali
৪। যোগ্যতাভিত্তিক শিক্ষাক্রম কাকে বলে? এর প্রকৃতি, পরিসর ও বৈশিষ্ট্য কি?