সাধারণভাবে বলা যায়, যে সূক্ষ্ম কণিকায় পদার্থের বস্তু ধর্মের পরিবর্তন সূচিত হয় সেই সূক্ষ্ম কণিকাই ন্যানো পার্টিক্যাল। কোনো বিচ্ছিন্ন অণু ন্যানো পার্টিক্যাল নয়। ন্যানো পার্টিক্যাল হচ্ছে ন্যূনতম একটি মাত্রা 1-100 nm বিশিষ্ট ক্ষুদ্রাকৃতির কণা (ত্রিমাত্রিক কণা)।
ন্যানো পার্টিক্যালের বৈশিষ্ট্য
ন্যানো পার্টিক্যালের বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপঃ–
১। পদার্থের 1-100 nm বিশিষ্ট কণা।
২। আকার নির্ভর।
৩। পদার্থের ভৌত ধর্ম অক্ষুণ্ণ থাকে না।
৪। বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় এদের তৈরি করা হয়।
৫। স্বাধীনভাবে থাকতে পারে।
৬। স্বাভাবিকের চেয়ে কম।
৭। পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল অধিক।
৮। সুপার প্যারাম্যাগনেটিক।
৯। কোয়ান্টাম প্রভাব বেশি।
আরো পড়ুনঃ-
১। স্থায়ী ও অস্থায়ী খরতার পার্থক্য কি?
২। প্রাইমারি দূষক ও সেকেন্ডারি দূষক কাকে বলে?
৪। তড়িৎ বিশ্লেষ্য ও ইলেকট্রনীয় পরিবাহীর মধ্যে পার্থক্য কি?
৫। দ্রাব্যতা ও দ্রাব্যতা গুণফল কাকে বলে? দ্রাব্যতা ও দ্রাব্যতা গুণফলের তুলনা লিখ।
৬। মোলার পরিবাহিতা ও তুল্য পরিবাহিতা কাকে বলে?
৭। চামড়া ট্যানিং কাকে বলে? চামড়ার ট্যানিং-এ লবণ যুক্ত করা হয় কেন?
৮। তেজস্ক্রিয় পদার্থ কাকে বলে? তেজস্ক্রিয় পদার্থের প্রকারভেদ।
৯। পারমাণবিক বর্ণালী কাকে বলে? পারমাণবিক বর্ণালী কিভাবে সৃষ্টি হয়?
১০। নিউক্লিয় বিক্রিয়া কাকে বলে? নিউক্লিয় বিক্রিয়ার প্রয়োগ, শ্রেণিবিভাগ।
১১। তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ কাকে বলে? তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার।
১২। পারমাণবিক শাঁস কাকে বলে? কীভাবে পারমাণবিক শাঁস গঠিত হয়?